বলিউড অভিনেত্রী কাজল সম্প্রতি তাঁর জেন-জি মেয়েকে বড় করে তোলার অভিজ্ঞতা ও মা-মেয়ের সম্পর্কের কঠিন সময় নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মেয়ে নিসা দেবগণ-এর সঙ্গে প্রায় তিন বছর ধরে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন চলেছে এবং সে সময় নিয়মিত ঝগড়াও হয়েছে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কাজল বলেন, মেয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে হয়েছে। তিনি জানান, “ওর সঙ্গে আমার অনেক কথা হয়। আমি ওকে বিভিন্ন বিষয় বুঝিয়ে বলি। আমাদের সম্পর্কটা তিল তিল করে তৈরি করতে হয়েছে। যখন ওর বয়স বারো বছর, তখন হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, সেই সময়ে মা-মেয়ে প্রায়ই অযৌক্তিক আচরণ করতেন এবং সারাক্ষণ ঝগড়া লেগেই থাকত। পরে নিজেকে সংযত করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কাজলের ভাষায়, শেষ পর্যন্ত বড় হিসেবে আমিই শক্ত হলাম। ভাবলাম, আমাকে আরও যুক্তিবাদী হতে হবে। সিদ্ধান্ত নিলাম ঝগড়া না করে ওর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব।
এই অভিনেত্রী জানান, মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে তিনি ধৈর্য ধরে কথা বলে গেছেন। “যতক্ষণ না ও আমার কথা শুনতে শুরু করে, ততক্ষণ আমি কথা বলে গেছি এবং ওকে বোঝার চেষ্টা করেছি,” বলেন তিনি।
কাজলের মতে, অভিভাবক হিসেবে ওই তিন বছর ছিল অত্যন্ত কঠিন সময়। তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর আমরা দু’জনেই ভুগেছি। এমন অবস্থাও ছিল, যখন কেউ কারও সঙ্গে কথা বলতে চাইতাম না।
তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নতি হয় বলে জানান তিনি। কাজল বলেন, “আমি বুঝতে পারলাম, বিষয়টা শুধু আমার বেশি কথা বলার ওপর নির্ভর করছে না; বরং চুপচাপ বসে ওর কথা শোনার ওপর নির্ভর করছে।
তিনি যোগ করেন, সন্তানের কথা মন দিয়ে শোনা এবং তাকে নিজের মত প্রকাশের সুযোগ দেওয়াই সম্পর্কের উন্নতির মূল চাবিকাঠি। এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে এবং এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, নিসা দেবগণ সম্প্রতি ২৩ বছরে পা দিয়েছেন। কাজল ও তাঁর স্বামী অজয় দেবগণ একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁদের মেয়ের অভিনয়ে আসার আগ্রহ নেই। তবুও গ্ল্যামার জগতে আলোচনায় থাকেন নিসা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কাজল বলেন, মেয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে হয়েছে। তিনি জানান, “ওর সঙ্গে আমার অনেক কথা হয়। আমি ওকে বিভিন্ন বিষয় বুঝিয়ে বলি। আমাদের সম্পর্কটা তিল তিল করে তৈরি করতে হয়েছে। যখন ওর বয়স বারো বছর, তখন হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, সেই সময়ে মা-মেয়ে প্রায়ই অযৌক্তিক আচরণ করতেন এবং সারাক্ষণ ঝগড়া লেগেই থাকত। পরে নিজেকে সংযত করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কাজলের ভাষায়, শেষ পর্যন্ত বড় হিসেবে আমিই শক্ত হলাম। ভাবলাম, আমাকে আরও যুক্তিবাদী হতে হবে। সিদ্ধান্ত নিলাম ঝগড়া না করে ওর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব।
এই অভিনেত্রী জানান, মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে তিনি ধৈর্য ধরে কথা বলে গেছেন। “যতক্ষণ না ও আমার কথা শুনতে শুরু করে, ততক্ষণ আমি কথা বলে গেছি এবং ওকে বোঝার চেষ্টা করেছি,” বলেন তিনি।
কাজলের মতে, অভিভাবক হিসেবে ওই তিন বছর ছিল অত্যন্ত কঠিন সময়। তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর আমরা দু’জনেই ভুগেছি। এমন অবস্থাও ছিল, যখন কেউ কারও সঙ্গে কথা বলতে চাইতাম না।
তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্কের উন্নতি হয় বলে জানান তিনি। কাজল বলেন, “আমি বুঝতে পারলাম, বিষয়টা শুধু আমার বেশি কথা বলার ওপর নির্ভর করছে না; বরং চুপচাপ বসে ওর কথা শোনার ওপর নির্ভর করছে।
তিনি যোগ করেন, সন্তানের কথা মন দিয়ে শোনা এবং তাকে নিজের মত প্রকাশের সুযোগ দেওয়াই সম্পর্কের উন্নতির মূল চাবিকাঠি। এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে এবং এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, নিসা দেবগণ সম্প্রতি ২৩ বছরে পা দিয়েছেন। কাজল ও তাঁর স্বামী অজয় দেবগণ একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁদের মেয়ের অভিনয়ে আসার আগ্রহ নেই। তবুও গ্ল্যামার জগতে আলোচনায় থাকেন নিসা।
তামান্না হাবিব নিশু